খবর ডেস্ক : নেত্রকোনা কেন্দুয়ার কাপাসিয়া গ্রামের বৃদ্ধ আবদুল গণি(৭০)
হত্যা মামলার রায়ে চার জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড, প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা
করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ২ বছর সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।
আজ সোমবার অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আবদুল হামিদ এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- কাপাসিয়া গ্রামের মো. আমীর হোসেন, কমীর হোসেন, হারুন আর রশিদ ও জামির হোসেন। তারা পরস্পর একে অপরের আপন ভাই এবং সবাই পলাতক।
মামলার বিবরনে জানা গেছে, জেলার কেন্দুয়ার কাপাসিয়া গ্রামের আবদুল গণির সাথে একই গ্রামের মো. আমীর হোসেনদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাম্য বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত ২০০০ সালের ১৮ এপ্রিল বৃদ্ধ আবদুল গণি গ্রামের মাঠে জমি দেখতে গেলে মো. আমীর হোসেন, কমীর হোসেন, হারুন আর রশিদ, জামির হোসেনসহ ১০-১২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর চড়াও হয় এবং বেধরক মারপিট করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহ জেলার আটারবাড়ি স্বাস্থ্য কমপেক্রে্ ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাতে তিনি মারা যান। নিহতের ছেলে মো. জাহেদ মিয়া বাদী হয়ে ওই বছরের ২০ এপ্রিল মো. আমীর হোসেন, কমীর হোসেন, হারুন আর রশিদ, জামির হোসেন, মঞ্জু মিয়া, সুলতান আলীসহ ৯জনকে আসামী করে কেন্দুয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিজ্ঞ বিচারক মো. আবদুল হামিদ উভয় পক্ষের স্বাক্ষ্য গ্রহন করে সোমবার দুপুরে এই রায় দেন। সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এপিপি অ্যাডভোকেট আবদুল কাদির ভূইয়া ও আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মশিউর আজিজ।
আজ সোমবার অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আবদুল হামিদ এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- কাপাসিয়া গ্রামের মো. আমীর হোসেন, কমীর হোসেন, হারুন আর রশিদ ও জামির হোসেন। তারা পরস্পর একে অপরের আপন ভাই এবং সবাই পলাতক।
মামলার বিবরনে জানা গেছে, জেলার কেন্দুয়ার কাপাসিয়া গ্রামের আবদুল গণির সাথে একই গ্রামের মো. আমীর হোসেনদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাম্য বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত ২০০০ সালের ১৮ এপ্রিল বৃদ্ধ আবদুল গণি গ্রামের মাঠে জমি দেখতে গেলে মো. আমীর হোসেন, কমীর হোসেন, হারুন আর রশিদ, জামির হোসেনসহ ১০-১২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর চড়াও হয় এবং বেধরক মারপিট করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহ জেলার আটারবাড়ি স্বাস্থ্য কমপেক্রে্ ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাতে তিনি মারা যান। নিহতের ছেলে মো. জাহেদ মিয়া বাদী হয়ে ওই বছরের ২০ এপ্রিল মো. আমীর হোসেন, কমীর হোসেন, হারুন আর রশিদ, জামির হোসেন, মঞ্জু মিয়া, সুলতান আলীসহ ৯জনকে আসামী করে কেন্দুয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিজ্ঞ বিচারক মো. আবদুল হামিদ উভয় পক্ষের স্বাক্ষ্য গ্রহন করে সোমবার দুপুরে এই রায় দেন। সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এপিপি অ্যাডভোকেট আবদুল কাদির ভূইয়া ও আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মশিউর আজিজ।